- Global Voices - https://globalvoices.org -

Bangladesh: Questions Over Indian ‘Tourism City’ Investment Proposal

Categories: South Asia, Bangladesh, Citizen Media, Development, Economics & Business, International Relations

The story of a 10 Billion Taka (US$120 million) investment in Bangladesh has made it into the country's headlines [1], following a visit by Subrata Roy Sahara, chairman of Sahara India Pariwar [2], one of India's largest business conglomerates. The group is planning to develop a 40 square kilometre ‘tourism city’ housing project situated approximately 50 kilometres from Bangladesh's capital Dhaka. US$ for a township-housing scheme near the capital Dhaka.

Though it is a significant investment commitment for the country, the proposed project has been widely criticized by Bangladeshi bloggers. Armanuzzaman [3] [bn] raised the point at blog.bdnews24.com:

বাংলাদেশে কোন বৈদেশিক বিনিয়োগ নিঃসন্দেহে চমৎকার ব্যাপার। কিন্তু মজার বিষয় হল আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ কতটা জরুরী। বাংলাদেশের মত ছোট দেশে অসংখ্য দেশী কোম্পানী আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি এই খাতে বিনিয়োগে প্রডাক্টিভ কিছুই নেই। আবাসন প্রকল্প তৈরী করে পরবর্তীতে তা বিক্রি করে প্রচুর পরিমানে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে যাবেন।

Foreign investment in Bangladesh is always exciting, but the important point in this proposal is how productive it is to invest in housing projects. In a small country like Bangladesh the housing industry is already saturated by many local investments!

The point to be noted is that this type of investment is not productive for the country (but profitable). The investors will develop housing projects which will be sold at a premium and they will take home a huge profit.

Logo of Sahara Matribhumi Unnayan Corp Ltd.

Prominent blogger Arif Jebtik [4] [bn] expressed his fears about this investment and the engagement of an influential member of parliament's son as the CEO of Sahara Group's newly formed subsidiary in Bangladesh – Sahara Matribhumi Unnayan Corporation Limited. He wrote in his blog:

আজকে সাহারা গ্রুপের প্রধান ব্যক্তি সুব্রত রায় সাহারা হোটেল রূপসী বাংলায় তার বাংলাদেশী কোম্পানির শুভ উদ্বোধন করেছেন। বাংলাদেশে তার ব্যবসায়িক স্বার্থ দেখবেন শেখ সেলিমের সুযোগ্য পুত্র শেখ ফাহিম। এই নিয়োগ আবার আড়ম্বরের সঙ্গে হয়েছে, অনুষ্ঠানে বিজনেস কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে ফাহিমের হাতে। এ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে এদেশে সাহারা গ্রুপের গতি শুধু চলা শুরু করবে না, রীতিমতো দৌঁড়াবে।

Today, the chief of Sahara Group inaugurated its new subsidiary in Bangladesh at the Hotel Ruposhi Bangla. [5] His business in Bangladesh will be managed by Shaikh Fahim, the brightest son of Sheikh Selim (a ruling party political leader & MP) and the appointment took place in a gala event, to celebrate the handing over of the business card to Fahim. That indicates that the Sahara Group will not only walk in Bangladesh, it will run fast.

Incidentally Sahara group became sponsors of Bangladesh Cricket Team [6] after offering $9.4 million over four years.

Arif also pointed to the issue of infilling sections of a river to prepare the ground for Sahara Group in the chosen areas. His major concern however, was about the environmental effect to be caused by the proposed tourism draw of the new city located near the protected Sundarbans mangrove forest [7], as he quoted from the statement of Sahara Group's chief:

বেশিরভাগ পরিবেশবাদী শুধু শুধুই ঝামেলা করেন, তারা সমাধান দেন না। শুধু ঝগড়া করেন। তাই সুন্দরবনে পর্যটন সিটিতে তারা বাধা দিলেও সমস্যা হবে না। কারণ তারা অনেকেই তো দোকান খুলে বসে আছেন।

Most environmentalists create obstacles for no reason, and do not not propose any solution. They keep fighting, so protests by them against the construction of the tourism city near the Sundarbans would do no harm. Many of the environmentalists have opened trade shops.

Blogger Lenin Rahman [4] [bn] commented on Arif's post, showing the decline of housing industry during the worldwide recession. He added:

বর্তমান পৃথিবীতে অর্থনীতিতে সারবত্তাহীন জিডিপি বৃদ্ধির সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আবাসন সেক্টরে ইনভেস্টমেন্ট। কিছু কিছু খাবারকে যেমন Empty calorie বলা হয় যেগুলো খেলে ক্যালরি ইনটেকই হয় শুধু কিন্তু কোন পুষ্টিগুন যোগ হয় না। আবাসন সেক্টরে ব্যাপক ইনভেস্টমেন্টে অনেক চাকরী তৈরী হয়, অনেক টাকার আদান-প্রদান ঘটে কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হয় না। একসময় চাহিদা কমা শুরু হলে বেলুন ফেটে পুরো দেশকে দশ বছরের জন্যে কাহিল করে ফেলা। আজকে ৪-৫ বছর ধরে আমেরিকা-ইউরোপের অর্থনীতি রুগ্ন হয়ে আছে কেবল আবাসন সেক্টরের বেলুন ফাটার জন্যেই।

In this world the easiest way to raise the GDP without substance in economy is to invest in the housing sector. Like some foods are called empty calories, because intake of them does not generate any nutrition, in the housing sector, huge employment opportunity can be created, huge monetary transactions take place (creating a bubble), but the economical growth of a country does not happen. When the demand slows down, the bubble bursts (business collapses) and puts the country on the back foot for ten years. In the past four to five years, the economy of the United States and Europe had been diseased because of collapses in the housing sector business.

There have also been opinions favoring the investment, though few in number. One netizen commented on the post of Armanuzzaman [3] [bn], that some competition among the local companies would do good:

আপনার কি আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর সার্ভিস সম্পর্কে সামান্যতম ধারনা আছে । প্লট কেনার কত বৎসর/যুগ পরে প্লট দেওয়ার নিয়ম ৷ দেশের টাকা বিদেশে চলে যাবে এই যুক্তি দিয়ে আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠান গুলোকে শোষন করার একচেটিয়া অধিকার দেওয়া কি ঠিক ? সত্যি করে বলতে গেলে আমাদের অতি লোভী ব্যবসায়ীরাই আমাদের খাদ্য,ফলমুল,শিক্ষা,চিকিৎসা সহ যাবতীয় ক্ষেত্র সমুহ নষ্ট করেছে ৷ তাই আমাদের বোধ করি উচিৎ নয় দেশীয় শোষক প্রতিষ্ঠান গুলোর পক্ষে যায় এমন কিছু করা৷

Do you have any least idea about the quality of the services of the other local companies? Is there any rule after how many years/decade of buying, the plot is to be delivered? Just fearing that foreign exchanges will be repatriated abroad, should our companies be given right to suck from us solely? The fact is that our over-greedy merchants adulterate food, fruits, education, health and so many sectors for bigger profit. We shouldn’t do anything that goes in favor of these local exploiters.

These sentiments come from the mistrust of people due to several unresolved problems between both the countries (see for instance 1 [8], 2 [9], 3 [10]). Only time will tell whether the investment planned will become a boon or bane for Bangladesh.